News Article

এই মরশুমে ইস্ট - মোহনের সেরা একাদশ!!

Written by: Raktim Banik

Advertisement

এই মরশুমে ইস্ট - মোহনের সেরা একাদশ!!

এই মরশুমে জাতীয় স্তরে একটি ব্যর্থ মরশুম শেষ হল কোলকাতার দুই প্রধানের! ভাল শুরু করেও শেষে তীরে এসে তরী ডুবেছে দুই দলেরেই, একজন হয়েছে দ্বিতীয় আর একজন তৃতীয়! অন্যদিকে ফেডকাপে ইস্টবেঙ্গল বিদায় নিয়েছে সেমিফাইনালে তো মোহনবাগান সন্তুষ্ট হয়েছে রানার্স হয়েই! আসুন দেখে নেওয়া যাক এই দুই দলের এই মরশুমের সেরা একাদশ।

ফর্মেশন : ৪-৩-২-১

গোলকিপার : দেবজিত মজুমদার (মোহনবাগান)

এই দুই দলের থেকে সেরা একাদশে গোলকিপার বাছাই করাটা বোধহয় ছিল সব থেকে সহজ কাজ! একদিকে গোলকিপার ভুলেই ম্যাচের পর ম্যাচ হারতে হয়েছে তো অন্যদিকে মোহনবাগানের গোলকিপার পেয়েছেন আই লীগের সেরা গোলকিপার এর আ্যওয়ার্ড! তাই সেরা একাদশের গোলকিপার হিসাবে আমরা বেছে নিলাম মোহনবাগান গোলকিপার দেবজিত মজুমদার কে!

ডিফেন্স :

রাইট ব্যাক - প্রীতম কোটাল (মোহনবাগান)

সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে দুরন্ত এক মরশুম শেষ করলেন ভারতীয় জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য বাংলার প্রীতম কোটাল! এই মরশুমে তার ক্রস গুলিই ছিল মোহনাবাগান এর গোল মুখ খোলার প্রধান ভরসা আর তার দিক থেকে আসা অধিকাংশ আ্যাটাকই ভোতা করে দিতে সক্ষম ছিলেন তিনি!

সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার - আনাস এথিয়াডোটিকা (মোহনবাগান) এবং ইভান বুকেনিয়া (ইস্টবেঙ্গল)

শুধু এই দুই দলের নয় গোটা আইলিগেরই সেরা ডিফেন্ডার নির্বাচিত হয়েছেন সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে প্রথম মরশুম খেলা এনাস! বারবার তার কাছেই পরাস্ত হতে হয়েছে সব দলের স্ট্রাইকারদের, তিনি ছিলেন "রক সলিড"!

ইভান বুকেন্যিয়ার এই দলে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে কিন্তু মোহনবাগান এর এডু এর থেকে বুকেন্যাকে এগিয়ে রাখবে বুকেন্যার গোল করার ক্ষমতা এবং উচ্চতা, ইস্টবেঙ্গল এর জার্সি গায়ে মরশুমের ৩ গোল আছে বুকেন্যার নামে! কয়েকটি ম্যাচ বাদ দিলে সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে বুকেন্যাও ছিলেন দুর্ভেদ্য, তবে তিনি একটু স্লথ!

লেফট উইং - নারায়ন দাস (ইস্টবেঙ্গল)

এই দুই দলের মধ্যে লেফট ব্যাকে হিসেবে নারায়ন দাসই এগিয়ে থাকবেন তার অভিজ্ঞতা এবং গোলমুখী ভয়ঙ্কর ক্রসগুলির জন্যে, এবং অবশ্যই উইং বরাবর তার দৌড়ের জন্যে!

মিডফিল্ড : সেন্ট্রাল ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার -শেহনাজ সিং (মোহনবাগান) এবং মেহতাব হোসেন (ইস্টবেঙ্গল)

ইস্টবেঙ্গল থেকে এই মরশুমে মোহনবাগানে আসা শেহনাজ সিং ছিলেন এই মরশুমে মোহনবাগান মাঝমাঠের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, মাঝমাঠে তার কড়া ট্যাকেল যেমন নজড় কেড়েছে তেমনই তার দূর পাল্লার শটগুলি এবং ঠিকানা লেখা পাশগুলিও ভাল ছিল!

এই দুই দলের সবথেকে অভিজ্ঞ সদস্য হলেন মেহেতাব হোসেন, প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি খেলছেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে! বয়স হয়তো তার খেলাই থাবা বসিয়েছে ঠিকই কিন্ত মেহতাব এর বিকল্প হিসেবে কাউকে বের করতে পারেননি ইস্টবেঙ্গলের কোন কোচই! তার উপর নিচ দৌর, কড়া ট্যাকেল এবং স্নাচিং এর ধারে কাছেও কেউ আসবে না! এই মরশুমে ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে নিজেকে পুরো নিংড়ে দিয়েছেন এই বর্ষীয়ান ফুটবলার!

লেফট উইংগার - সোনি নর্ডি (মোহনবাগান)

এই মরশুমে নিজের সুনাম বজায় রেখেই খেলেছেন আই লীগের সব থেকে দামি এই ফুটবলার! এই মরশুমে নিজে করেছেন ৩ টি গোল এবং করিয়েছেন আরো ৪ টি গোল, ডার্বিতেই প্রায় একাই হারিয়ে দিয়েছেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে। তার ড্রিবল এবং গতির কাছে বার বার পরাস্ত হতে হয়েছে বহু নামী ডিফেন্ডারকে!

সেন্ট্রাল আ্যাটাকিং মিডফিল্ডার - ওয়েডসন আনসালমে (ইস্টবেঙ্গল)

নিঃসন্দেহে এই হায়তিয়ান স্ট্রাইকার সেরা একাদশে যায়গা করে নেবেন তার স্কিল, গতি এবং ড্রিবলিং এর জন্যে, তবে তার খেলার একটাই নেগেটিভ পয়েন্ট যে তিনি বড়ই স্বার্থপর সহজে বল ছাড়েন না! এই মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয় ৮ টি গোল রয়েছে তার!

রাইট উইংগার - ইউসা কাতসুমি (মোহনবাগান)

একজন কমপ্লিট ইউটিলিটি ফুটবলার বলতে যা বোঝায় মোহন অধিনায়ক হল একদম তাই, বহুবার তাকে দেখা গেছে দলের প্রয়োজনে নিচে নেমে ডিফেন্স করতে আবার তেমনই আক্রমনভাগে গিয়ে স্ট্রাইকারকে সাহায্য করতেও, বহুবার তার কর্নারেই খুলেছে গোলের মুখ এবং তিনি আইলীগে নিজেও করেছেন ৪ গোল!

স্ট্রাইকার - রবিন সিংহ (ইস্টবেঙ্গল)

এই বিষয় নিয়ে তর্ক চলতেই পারে রবিন সিং নাকি মোহনবাগানের জেজে?? কিন্তু পাঞ্জাবি তনয় কে এগিয়ে রাখছে তার উচ্চতা এবং হেড দেওয়ার ক্ষমতা! তার কামব্যাক মরশুমে ইস্টবেঙ্গল এর হয়ে আইলীগে ৫ এবং ফেডকাপে ২ মোট ৭ গোল করেছেন এই পাঞ্জাব তনয়!

Published: Sun May 28, 2017 11:44 AM IST

Advertisement

Loading...

Welcome to Khel Now!